রাজবাড়ীর পাংশায় পদ্মা নদীর তীরে অবৈধ বালু চুরি করে আনতে গিয়ে রহিম নামের এক বাটা হাম্বার চালক জনতার হাতে আটক হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের পূর্ব চরপাড়া গ্রামে পদ্মা নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় ।
বালি চোরকে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু চোরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। সেই সাথে বালু চুরির কাজে ব্যবহৃত বাটা হাম্বারটি জব্দ করেছে পুলিশ।
জানা যায়, হাবাসপুর ইউনিয়নে পদ্মা নদীর তীরে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু বিক্রি না করার জন্য নির্দেশ থাকলেও চোররা তা মানছে না । খোজ নিয়ে জানা যায়, উত্তোলিত বালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হেফাজতে রাখে উপজেলা প্রশাসন।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল–মামুন খান জানান, বালু বিক্রি নিষিদ্ধ করায় বালু পাহাড়ার জন্য দুইজন গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে রহিম নামের বাটা হাম্বার চালক বালু কিনতে হাবাসপুরের বালু মহালে গেলে সেখানে কাউকে না পেয়ে নিজেই বালু তুলতে থাকে। এ সময় স্থানীয় জনতা তা দেখতে পেয়ে তাকে হাতে নাতে আটক করে থানা পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাটা হাম্বার চালক রহিম জানায়, নলকাদ্রা একটি মসজিদের কাজের জন্য বালু কিনতে সে বালু মহালে গিয়েছিল। কিন্তু বালু মহালে কাউকে দেখতে না পেয়ে সে বিএনপি নেতা চাঁদ আলী খানকে কল দেন। চাঁদ আলী খান তাকে ওখান থেকে বালু নিয়ে আসতে বলেন এবং কেউ কিছু বললে তাকে ফোন ধরিয়ে দিতে বলেন।
এ ব্যাপারে পাংশা মডেল থানার এস আই কামাল হোসেন বলেন, হাবাসপুরের পদ্মার তীরে একজন প্রকাশ্যে বিক্রির জন্য নিষিদ্ধ বালু চুরি করছে বলে পাংশা থানায় খবর আসে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সেখান থেকে এক জনকে আটক করি এবং একটি বাটা হাম্বার গাড়ি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসি। তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইতি পূর্বে এ বালি চুরির ঘটনায় সেনা ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ২জনকে গ্রেফতার করে এবং পাংশা মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল তারপর থেকেই ওই বালির স্তুপ ইউনিয়ন পরিষদের তত্বাবধায়নে রয়েছে বলে সুত্র নিশ্চিত করেছে।