রাজবাড়ীতে এতো সড়ক দূর্ঘটনা, দোষ কার? দায় কার? - Rajbari
ডাঃ রাজীব দে সরকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ। শিশু রোগ চিকিৎসক ও সার্জন। গবেষক। কলামিস্ট ।
৯ নভেম্বর ২০২৫, ৬:২৮ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ীতে এতো সড়ক দূর্ঘটনা, দোষ কার? দায় কার?

সড়ক দূর্ঘটনা বাংলাদেশে বিরল কোন ঘটনা না হলেও রাজবাড়ীতে প্রতিনিয়ত এর করাঘাত বেড়েই চলেছে। ফলে বেড়ে চলেছে মৃ*ত্যু ও আহতের ঘটনা।

সড়ক দূর্ঘটনার সব খবর পত্রিকা বা ফেসবুকে আসে না। আসার কথাও না। শুধু পরিচিত কেউ আক্রান্ত হলে বা বিশাল কোন দূর্ঘটনা ঘটলেই আমাদের নজরে পরে সেটা।

কিন্তু সৌভাগ্য না দুর্ভাগ্য জানিনা, একজন চিকিৎসক হবার পাশাপাশি আমি রাজবাড়ীর সন্তান। জরুরী বিভাগ থেকে সার্জারী অন্তঃবিভাগ কিংবা রেফার হওয়া রোগীর খাতা এ সব কিছুই আমার তত্ত্বাবধানে থাকে। তাই রাজবাড়ী শহরে সড়ক দূর্ঘটনা কি পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে তা হয়তো রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থেকে ভালো আর কেউ জানেন না।

অধিকাংশ সময় সড়ক দূর্ঘটনার মাত্রা এতোটাই তীব্র হয়, আক্রান্ত মানুষগুলো ‘জীবিত’ অবস্থায় আমাদের দ্বারপ্রান্তে আসেন না। আসেন ‘Brough Dead’ হিসেবে।

সেই বীভৎস দৃশ্য চিকিৎসক হিসেবে আমার সয়ে গেলেও অনেকের জন্যই তা সহ্য করার মতো না।

গত কয়েক সপ্তাহের বেশ কিছু সড়ক দূর্ঘটনার খবরে ফেসবুক সয়লাব। কিন্তু এগুলো থেকেও ভয়াবহ সড়ক দূর্ঘটনার রোগী আমাদের সদর হাসপাতালে আসেন এবং সেগুলো নিয়ে নিউজও হয় না তেমন। আমাদের অনেকের এভাবেই অজান্তেই ঝরে যায় প্রাণ। আবার অনেকেই রাজবাড়ী জেলার মহাসড়কে আক্রান্ত হন, ফলে জীবিত বা মৃত যেটাই তাদের পরিণতি হোক, আত্নীয়-স্বজনরা তদের অন্যত্র নিয়ে চলে যান। ফলে রাজবাড়ী জেলার সড়ক দূর্ঘটনার প্রকৃত চিত্র আমরা অনেকেই জানিনা।

আচ্ছা আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন তো…

প্রশ্নঃ রাজবাড়ী জেলার মোটর সাইকেল চালকদের মধ্যে কতোজন মানুষ “হেলমেট” ব্যবহার করেন?
এর উত্তর আমাদের কারো কাছেই নাই।

কিন্তু একজন ক্লিনিকাল গবেষক হবার কারণে একদিন আমি ছোট্ট একটা এক্সপেরিমেন্ট চালাই। আমি শহরের বড়পুল থেকে শহরান্তের গোয়ালন্দ মোড় পর্যন্ত যাচ্ছিলাম। আমার উদ্দেশ্য হলো, আমি গুণে গুণে দেখবো যাত্রাপথে কতোগুলো মোটর সাইকেল আমার চোখে পরে এবং এদের মধ্যে কতো জন “হেলমেট ব্যবহার করছেন” (শর্ত হলো, হেলমেট পরতে হবে মোটরসাইকেল চালক এবং পিছনের যাত্রী দুজনকেই)। গবেষণার ভাষায় এটা এক ধরনের RCT (Randomized Control Trial)
আমার এই নামমাত্র RCT এর ফলাফল বলি শুনুন।

আমি আমার যাত্রা পথে মোট ৩৮ টি মোটরসাইকেল এর দেখা পেয়েছি। কষ্টকর হলেও সত্য যে, এই ৩৮ জনের মধ্যে হেলমেট পরা দেখতে পেয়েছি মাত্র ০৬ জনকে। অর্থাৎ হেলমেট ব্যবহার কারীর সংখ্যা ২.২৮ %। মানে দাঁড়ায়, ১০০ জনের মধ্যে ৩ জনও মোটর সাইকেল চালানোর সময়ে হেলমেট ব্যবহার করছেন না।

এখন আপনারা নিজেরাই প্রশ্ন করুন তো, চলন্ত অবস্থায় এই ২.২৮% মানুষ বাদে বাকিরা যদি মোটরসাইকেল নিয়ে কাত হয়ে পরে যান এবং মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন, তাদের পরিণতি কি হবে? রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল কেন, বিশ্বের সেরা হাসপাতালটাতে নিলেও কি তাদের ক্ষতি পোষানো যাবে?

পরিসংখ্যান বলে, সড়ক দূর্ঘটনায় রাজবাড়ী জেলার নাম আছে বেশ প্রথম দিকেই। কারণ একদিকে ঐতিহ্যবাহী দৌলৎদিয়া ঘাট থাকার কারনে এই জেলা বহু জেলায় যাতায়াতের মূল সংযোগ স্থান। অন্যদিকে মহাসড়কে সড়কে অবৈধ থ্রী-হুইলার, ভ্যান, রিক্সা, অটোরিক্সা এদের অনিয়ন্ত্রিত দাপট এই জেলার মহাসড়ককে সড়ক দূর্ঘটনার খনিতে পরিণত করেছে।

একটা তথ্য দেই, গত ঈদুল আযহার ছুটিকালীন সময়ে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে সড়ক দূর্ঘটনার “শতাধিক” কেস লিপিবদ্ধ হয়েছে যা সাধারণ মানুষ অনেকেই জানেন না।

সড়ক দূর্ঘটনার হিসাব না হয় বললাম। কিন্তু রাজবাড়ী জেলার মহাসড়কে যে কি পরিমাণে তিন-চাকা বিশিষ্ট ব্যাটারিচালিত অবৈধ যানবাহন চলে, তার সঠিক সংখ্যা কেউ বলতে পারবে না।

আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, রাজবাড়ী  জেলার মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনার অনেক বড় কারণ ব্যাটারি চালিত এই সব ভ্যান-অটো, মাহিন্দ্র এবং নসিমন বাহন। যারা অ্যাকসিডেন্ট করে হাসপাতালে আসেন তার ভাষ্য থেকেই এই লেখা লিখছি।

কোন আইনেই দেশীয় প্রযুক্তির এই সব বাহন সড়কে বা মহাসড়কে চলতে পারে না। আর মহাসড়কে বা হাই-ওয়েতে থ্রী-হুইলার চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইন আমরা সবাই-ই জানি, কিন্তু তারপরো এসব মানি না। তাই প্রতিনিয়ত সড়ক দূর্ঘটনায় নিজের ও আপন জনের বড় বড় ক্ষতি করে ফেলি।

ব্যাটারি চালিত রিক্সা আর ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা দু’টোতেই আমি চড়েছি।
আমি একদিন নিজে GPS Speedometer App দিয়ে এই দুইটি বাহনেরই স্পীড চেক করছিলাম। অটো-রিক্সাতে সর্বোচ্চ স্পীড পেয়েছিলাম ৩২ কিঃমিঃ/ঘন্টা আর ব্যাটারি চালিত রিক্সা সর্বোচ্চ স্পীড উঠেছিলো ৩৮ কিঃমিঃ/ঘন্টা।

আমার কিছু অবজারভেশন বলিঃ

১। অটোরিক্সা বা ব্যাটারি চালিত রিক্সা যারা চালান তাদের অধিকাংশেরই সড়কের Lane কি জিনিস এই বিষয়ে ধারণা নাই। একই সড়কে যে একাধিক লেন থাকে এবং একটি লেন থেকে অন্য একটি লেনে যেতে হলে সিগনাল দিতে হয়, সে বিষয়ে তাদের কোন ধারণা নেই। আমি নিজে কয়েকজনের সাথে কথা বলে বুঝেছি, সড়কে লেন কি জিনিস সে বিষয়ে তারা ধারণা রাখেন না এবং ধারণা রাখার প্রয়োজনও মনে করেন না।

২। স্পীড কোন সমস্যা হতো না যদি তাদের Breaking System একই মাত্রায় উন্নত হতো। সত্যি কথা বলতে কি, প্যাডেল রিক্সায় শুধু ব্যাটারি বসানোটাই হলো এই বাহনগুলোর মূল টেকনোলজি। এজন্য ব্রেকিং সিস্টেম সেই পুরো হাতে-চাপা ব্রেকই থেকে গেছে। ফলে মনের আনন্দে ৩৫-৩৮ কি”মিঃ/ঘন্টা ওঠানো হয়তো যায়, কিন্তু প্রয়োজনের সময় নির্ভরযোগ্য ব্রেক এই রিক্সা গুলোর নাই। ফলে স্পীড তোলার পরে স্পীড নিয়ন্ত্রণ করা এই বাহন গুলো পক্ষে সম্ভব হয় না। ফলাফলঃ দূর্ঘটনা।

৩। যেহেতু স্পীড লিমিটের দিক দিয়ে তাকালে এরা গাড়ি বা মোটরসাইকেল এর লেভেলেই চলে এসেছে। কারণ শহরের ভিতরে গাড়ি বা মোটরসাইকেল গুলো ৪০-৫০ কিঃমিঃ/ঘন্টা এই রেঞ্জের মধ্যেই চলাচল করে। কিন্তু মোটর সাইকেল বা গাড়ির প্রযুক্তিগত যে মান বা ড্রাইভিং ব্যালেন্স এর স্ট্যাটাস, এই অটোরিক্সা বা ব্যাটারি চালিত রিক্সার সেটি নাই। আবার মোটরসাইকেল আরোহীর মতো রিক্সার আরোহী বা চালক কেউ-ই হেলমেট বা কোন সেফটি গিয়ারও ব্যবহার করে না। ফলাফলঃ দূর্ঘটনা এবং তা মাআত্নক দূর্ঘটনা।

৪। অটোরিক্সা বা প্যাডেল চালিত রিক্সার চালকদের প্রশিক্ষণ দেবারও কোন সুযোগ নেই। কারন (ক) এদের সংখ্যা অগণিত (খ) এরা কোনদিন এ বিষয়ে আগ্রহী হবে না (গ) প্রচলিত আইনে এদের অপরাধের দন্ড দেবার কোন সুযোগ নাই। [আমি জেনেই বলছি, “সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮” দেখতে পারেন।

দেশীয় কারিগর দিয়ে বানানো এই যানবাহন দুটোই অবৈধ, তাই একজন কর্তব্যরত পুলিশ কেবল বাহনটি ডাম্পিং বা জব্দ করতে পারেন। তাও শুধু মেট্রোপলিটন এলাকাতেই আপনি এই দন্ডের প্রয়োগ দেখবেন। ঢাকা বা চট্টগ্রাম শহরের বাইরে গেলেই আর ডাম্পিং এর সুযোগ নাই/অপ্রতুল। আর ডাম্পিং এর কথা আসলেই কিন্তু এদেশে ভিকটিম-কার্ডের মুখোমুখি হবেন, অর্থাৎ চালক “গরীব”, তাই তার অপরাধ, “অপরাধ নয়”।

৫। প্যাডেল চালিত রিক্সায় অতি দ্রুত স্পীড তুলে ফেলার বিষয়টি নাই এবং একই কারণে হুঠাট যে কোন দিকে টার্ন নেবার ক্যালিবারও এই বাহনবটির নাই। যেহেতু উচ্চগতি নাই, তাই বেশ কিছুদিন চালানোর পরে ধীরে ধীরে দক্ষতা আসে এই বাহন চালানোর। চাইলেই আপনি অন্য কোন বাহনের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে পারবেন না। তাই সড়কে বা মহাসড়কে এই বাহনটি অতোটা অ্যাগ্রেসিভ আচরণ করে না।

কিন্তু একটি মধ্যম গতির বাহন হওয়াতে সড়কে নয় শুধু, হাইওয়েতেও অটোরিক্সা, ব্যাটারি চালিত রিক্সা এবং ব্যাটারি চালিত ভ্যান এর চালকেরা প্রচন্ড প্রতিযোগিতামূলক আচরণ করে গাড়ি চালায়। মহাসড়কেও এরা একে অন্যকে ওভারটেক করে।

পিছনে অনেক দ্রুত গটির বড় গাড়ি (বাস, ট্রাক, প্রাইভেট কার) থাকলেও তারা নিজদের ওভারটেক কার্যক্রম সমাপ্ত করে তারপর অন্য বাহনকে সাইড দেয়। এই অহেতুক আত্নবিশ্বাস এর ফলাফল দূর্ঘটনা। এই দূর্ঘটনা গুলো জীবনঘাতি হয় এবং অঙ্গহানি ঘটায়।

৬। এই বাহনগুলো অর্থাৎ অটোরিক্সা ও ব্যাটারি চালিত রিক্সা গুলো অস্বাভাবিক স্পীড অর্জনের পর এদের ওজন এর ভারসাম্য নষ্ট হয়। দ্রুত গতিতে থাকার সময় এদের বাহনের আরোহীদের ওজনের কারণে বাহনটির ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়। যেহেতু ব্যাটারিচালিত, তাই ইচ্ছামতো সীট সংখ্যাও বাড়ানো যায়।

কারণ নির্মাতা মনে করেন যে শক্তি যেহেতু ব্যাটারি থেকে আসবে তাই সীট বাড়ালেও সেটা বহন করার ক্ষমতা বাহনটির থাকবে। বিপত্তিটা এখানে। প্রচণ্ড দুর্বল ব্রেক সিস্টেম এবং ব্যালেন্স এর ঘাটতির সাথে অতিরিক্ত ওজন বহন করার ফলে চালকের আসলে রিক্সার উপর কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। নিয়ন্ত্রণ যে নাই, এটা তিনি বোঝেনও না। কারণ অতিরিক্ত গতি তাকে অহেতুক আত্নবিশ্বাসী করে তোলে। ফলাফলঃ মারাত্নক দূর্ঘটনা।

৭। মহাসড়কে দ্রুতগতির অনেক গাড়ি যেমনঃ বাস ট্রাক প্রাইভেট কার চলাচল করে। আমি দেখেছি অনেক সময় এই সব ব্যাটারিচালিত বাহন গুলো তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে গতি বাড়ায়। যেহেতু ব্যাটারি লাগানর কারণে তার গতি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, তারা মনে করেন তারা এই সব নিরাপদ প্রযুক্তির গাড়িকেও টেক্কা দিতে পারেন। এর পরিণাম হয় ভয়াবহ।

মহাসড়কে কেউ যখন এই থ্রী-হুইলার নিয়ে দূর্ঘটনার স্বীকার হন, তখন মৃত্যু বা সুনিশ্চিত অঙ্গহানির ঠেকানো যায় না। সেদিক দিয়ে প্রাইভেট কারে বসা বা বাস-ট্রাকে বসা মানুষোটি কিন্তু নিরাপদেই থাকেন। তখন দোষ হয়ে যায় বড় গাড়ির চালকটির। উপস্থিত জনতাও আসলে কার দোষ সেটি জানতে চান না।

কেউ মানুক বা না মানুক, ব্যাটারি চালিত এই রিক্সাটি মোটেও “বৈধ” কোন বাহন না। সড়কে বা মহাসড়কে চলার কোন অনুমতি এটির নাই।

দরিদ্র মানুষ পেশা হিসেবে একে গ্রহণ করেছেন বলে গ্রামে গঞ্জে বা অলিতে-গলিতে এই বাহন গুলো মানবিক কারণে চালানোর অনুমতি দেওয়া যেতে পারে (সেটিরও আইনগত ভিত্তি নাই), কিন্তু তাই বলে মূল সড়কে বা মহাসড়কে এদেরকে ঠাঁই দিলে সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা থাকবে না। অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অজস্র দূর্ঘটনাই এর প্রমাণ।

গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আর রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে আনা ডেড-বডিগুলোর একটি বড় অংশই এই মহাসড়কের সড়ক দূর্ঘটনার।

সড়ক দূর্ঘটনা এখন একপ্টি প্রতিদিনের আহা-উহুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই হচ্ছে, মানুষ মারা যাচ্ছে। আমরা ২/৩ দিন শোক পালন করি। চায়ের দোকানে আলোচনা করি। আবার যা-তাই! এভাবে চলতে থাকলে প্রাণের রাজবাড়ী অচিরেই সড়ক দূর্ঘটনায় প্রথম স্থান অধিকার করবে।

হয়তো অনেক সম্মানের পাশাপাশি এই সম্মানটাও আমরা পেতে চলেছি খুব শীঘ্রই। একটা ১৩ বছরের মেয়ে বা একটা ৭ বছরের শিশুর মাথায় হেলমেট না পরিয়ে সড়ক দূর্ঘটনা উছিলায় তাকে হত্যা করে রাজবাড়ী জেলার জন্য যে সম্মান আমরা বয়ে আনছি, সৃষ্টিকর্তা আমাদের সেই সম্মান সহ্য করার ক্ষমতা দিক।

নিরাপদ হোক প্রাণের শহর রাজবাড়ী।
সতর্ক হোক আমার রাজবাড়ীর মানুষগুলো।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গোয়ালন্দে মাদকসহ ৪জন গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীতে ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রবাসী নিহত

পাংশায় পূর্ব শত্রুতার জেরে তিনজনকে কুপিয়ে জখম

‘প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ -সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

রাজবাড়ীতে মাদকাসক্তের লাঠিপেটায় বৃদ্ধ নিহত

রাজবাড়ীতে চাঞ্চল্যকর কৃষক হত্যা মামলায় ৬ আসামি গ্রেপ্তার

পাংশায় তরুণীকে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

রাজবাড়ী‌তে দুইটি বি‌দেশী পিস্তল, ৪ টি ম‌্যাগা‌জিন ও ৮ রাউন্ড গু‌লিসহ যুবক আটক

পাংশায় জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত 

রাজবাড়ীতে ছয় মাদকসেবীর কারাদণ্ড

১০

দেশকে সমৃদ্ধ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবো —সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

১১

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের উদ্বোধন করলেন এমপি হারুন অর রশিদ 

১২

গোয়ালন্দ প্রেসক্লাবে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির ইফতার

১৩

পাংশায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে রাতের আধারে আবারও ব্যানার  

১৪

গোয়ালন্দে গণ অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিল

১৫

কালুখালী প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

১৬

মতাদর্শের ভিন্নতাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য -হারুন-অর-রশিদ এমপি

১৭

রাজবাড়ীতে সুলভ মূ‌ল্যে ডিম দুধ ও গরুর মাংস বিক্রি শুরু

১৮

এবার জু‌নিয়র বৃ‌ত্তি পরীক্ষার ফলাফ‌লে প্রথম রাজবাড়ীর ইয়াছিন উচ্চ বিদ‌্যালয়

১৯

রাজবাড়ীতে বাবা হত্যার বিচার চেয়ে রাজপথে তিন শিশু

২০