রুবেলুর রহমান : নানা অনিয়মের অভিযোগে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করেছে দূর্ণীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দূর্ণীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্মিত জেলা কার্যালয়ের ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক মোঃ মুস্তাফিজের নের্তৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় হাসপাতালের একাউন্স, স্টোক, ওয়ার্ড ও রান্না ঘর সহ বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান শেষে দূর্ণীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্মিত জেলা কার্যালয়ের ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক মোঃ মুস্তাফিজ বলেন, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে রোগীদের নানাবিধ হয়রানি ও অন্যান্য অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করি। প্রথমে ছদ্মবেশে হাসপাতালের ওয়ার্ডসহ বিভিন্নস্থান পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় পরিলক্ষিত হয় রোগীদের ডায়েট চার্ট অনুযায়ী খাবার দেওয়া হয় না। এখানে সপ্তাহের ৭ দিনের ৫ দিন পাঙাস মাছ ও মুরগি দেয়া হয়। যেখানে খাবার মেন্যুতে রয়েছে সপ্তাহে একদিন খাসির মাংস, কাতাল, রুই ও পাঙ্গাস মাছ এগুলো। কিন্তু এখানে শুধু পাঙাস ও মুরগি দেওয়া হয়। এছাড়া আমরা হাসপাতাল কম্পাউন্ড অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন দেখতে পাই। পরে আমরা ঔষধের স্টোক রেজিস্ট্রার ও স্টোকে অভিযান পরিচালনা করে সেখানে সিপ্রক্স নামের একটি ওষুধ ৫০০ পিস ঘাটতি পাই। তবে অন্যান্য ঔষধ ঠিক ছিল। এছাড়া গাইনী ওয়ার্ডে মন্টিলুকাস নামের একটি ঔষধ ২৬৬ পিস ঔষধ কম পাই। এইসব প্রামনাদি সংগ্রহ করেছি। এখন এগুলো পর্যালোচনা করে কমিশন বরাবর রিপোর্টকারে পাঠানো হবে। এ সময় দূর্ণীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্মিত জেলা কার্যালয়ের ফরিদপুরের উপসহকারী পরিচালক কামরুল হাসান, সহকারী পরিদর্শক মোঃ শামীম উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে অভিযান পরিচালনা শুরুর দিকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান উপস্থিত থাকলেও পরে জরুরী একটি অপারেশনের কথা বেলে কেটে পড়েন। তিনি বলেন, আমার জরুরি একটা অপারেশন থাকায় দুদকের টিমের প্রধানকে বলে চলে আসছি। তারা অভিযানে অনিয়ম পেলে আমাদেরকে বলুক, সমস্যা নেই। তবে আমাদের কোনো অভিমান নাই।
মন্তব্য করুন