স্টাফ রিপোর্টার : দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে সড়ক ও রেল যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। ঢাকার সাথে রাজবাড়ীর দূরত্ব সময়ের হিসাবে খুবই সীমিত হয়ে আসবে এবং রাজবাড়ী ঢাকারই একটি অংশ হিসেবে ব্যবহার হবে। আওয়ামীলীগ ও দক্ষিণের দু’টি বিভাগেরবিরোধীতার কারণে তখন দৌলতদিয়ায় পদ্মা সেতু করা সম্ভব হয়নি।
রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোয়ালন্দ শহরের প্রধান সড়কের লোকমান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময়ে রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈময় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা বাঙালি উচ্চ স্বপ্ন দেখতে চাই না, বরং ছোট ছোট বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা চাই। এটা থেকে আমাদের বেড়িয়ে আসতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলো করতে পারলে আমরা কেন পারব না কেন? পৃথিবীর অনেক দেশে ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার গতির ট্রেন চালু রয়েছে। বাংলাদেশে এটা স্বপ্ন মনে হলেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব। সেতুতে উচ্চগতির ট্রেন চালু হলে রাজবাড়ী থেকে ঢাকার দূরত্ব সময়ের হিসাবে অনেকটাই সীমিত হয়ে আসবে।
নিজের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, আমি রাজবাড়ী পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে প্রশস্ত রাস্তা ও পুরো শহর লাইটিং করেছিলাম। তখন এগুলো স্বপ্নের মতো ছিল, কিন্তু আমরা বাস্তবে রূপ দিয়েছিলাম। তাই আজকের ঘোষিত প্রকল্পগুলোও বাস্তবায়ন সম্ভব।
সভায় তিনি পদ্মা সেতু, পদ্মা ব্যারেজ, দৌলতদিয়া ঘাট আধুনিকায়নসহ ৬টি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি গোয়ালন্দ মিনি স্টেডিয়াম, রাজবাড়ী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনসহ স্থানীয় উন্নয়নমূলক নানা প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নঈম আনসারী, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সুলতান নূর ইসলাম মুন্নু মোল্লা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাবলু, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এ্যাড. এবিএম আব্দুস ছাত্তার, উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি রুস্তম আলী মোল্লা, জেলা বিএনপি’র সাবেক উপদেষ্টা মো. নাজিরুল ইসলাম তিতাস, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. মাহবুবুল আলম শাহীন, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুরাদ আল রেজা, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আবু বক্কার ছিদ্দিক, গোয়ালন্দ পৌরসভার সাবেক কমিশনার জাজিউর রহমান রাসেল প্রমুখ।
মন্তব্য করুন