মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজবাড়ীতে হয়ে গেল ঐতিয্যবাহি লাঠি খেলা। বাদ্যের তালে তালে আনন্দময় উৎসব আয়োজন।লাঠি খেলা দেখতে ভীর জমান নানা বয়সী মানুষ। জেলা প্রশাসক বলছেন, হারিয়ে যাওয়া ঐতিয্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই আয়োজন।
ঢাক-ঠোল আর বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নৃত্য আর অঙ্গভঙ্গিতে মেতেছেন খেলোয়াড়রা। এরপর শুরু হয় মূল আকর্ষন। একদল লাঠিয়াল ঝাপিয়ে পরছে অন্যদলের উপর। আতœরক্ষার পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে কাবু করতে মেতে উঠেন তারা। গ্রামীন ঐতিয্য লাঠিখেলা দেখে উল্লাসে মেতে উঠেন তারা। শহরের ব্যস্ত জীবন আর কর্মব্যস্ততায় অনেকের দেখা হয়না এমন আয়োজন। মোবাইল আশক্তি আর মাদক থেকে দুরে রাখতে এমন আয়োজন হওয়া উচিৎ প্রতিবছর মনে করছেন তারা।
খেলোয়াড়রা জানান, এক সময় জমিদারী প্রথা আর চর দখলে কদর থাকতো লাঠিয়ালদের তাইতো ঘটা করেই চলতো এর প্রশিক্ষন ও আয়োজন। কালের বিবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে এসব ঐতিয্য। ঐতিয্য ধরে রাখতে এগিয়ে আসা প্রয়োজন সরকারসহ
বৃত্তবানদের।
যান্ত্রিকতার আগ্রাসন আর ব্যস্ততায় ভুলতে বসা শহীদ খুশি রেলওয়ে মাঠে ঐতিয্যবাহি লাঠি খেলা দেখতে ভীড় করেন নারী পুরুষ। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিয্য তুলে ধরতে এমন আয়োজন করে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসন।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বলেন, শুধু লাঠি খেলা নয়, নৌকা বাইচ, হা-ডু-ডু, দাড়িয়াবান্ধাসহ গ্রামীন খেলার আয়োজন করে যাবে জেলা প্রশাসন।
বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ খুশি রেলওয়ে মাঠে লাঠি খেলা দেখতে ভীড় করেছিল কয়েক হাজার দর্শনার্থী।
মন্তব্য করুন