রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় অভিযান চালিয়ে ৩৭৫ পুরিয়া হেরোইনসহ এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় আরও এক নারীকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি আভিযানিক দল পরিদর্শক মো. রাসেল আলীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোয়ালন্দ উপজেলাধীন দৌলতদিয়া ইউনিয়নের উত্তর দৌলতদিয়া হল রোড এলাকার সোহরাব মন্ডল পাড়া গ্রামের মো. আব্দুল হকের বাড়ির ভাড়াটিয়া মোছা. জোলেখা খাতুন ওরফে কাজলীর বসতঘর ঘেরাও করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বসতঘরের ভেতরে তার দেহ ও ঘর তল্লাশি করে ৩৭৫ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পরে আটক জোলেখা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, উদ্ধারকৃত হেরোইনের প্রকৃত মালিক দুলি আক্তার। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুলি আক্তারের হয়ে হেরোইন বিক্রি করে আসছেন এবং তারা পরস্পরের যোগসাজশে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি মোছা. জোলেখা খাতুন ওরফে কাজলী কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার খয়েরচারা এলাকার মো. সেকেন মন্ডলের মেয়ে। বর্তমানে তিনি গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের উত্তর দৌলতদিয়া সোহরাব মন্ডল পাড়ায় স্বামী মো. ওহাব মোল্লার সাথে বসবাস করছেন। এছাড়া মামলার অপর আসামি উপজেলার উত্তর দৌলতদিয়া সোহরাব মন্ডল পাড়ার মো. রানার স্ত্রী মোছা. দুলি আক্তার (২৯)। দুলি ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, আটক ও পলাতক উভয় আসামিই কুখ্যাত ও পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন