রাজবাড়ীর পাংশায় প্রেমের বিয়ের চার মাস পর ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আফিয়ানা জান্নাত মুমু নামে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পাংশা পৌর এলাকার রেললাইনে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর আগে বাবা-মা’র কাছে ক্ষমা চেয়ে চিরকুট লেখে ওই স্কুলছাত্রী।
নিহত আফিয়ানা জান্নাত মুমু ভোলা জেলার দৌলতখালী উপজেলার আব্দুল হাইয়ের বড় মেয়ে। স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চর আফরা গ্রামের জামাল চৌধুরীর ছেলে আকাশ চৌধুরীর সঙ্গে দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল জান্নাতের। তবে পরিবার তাদের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় গত এপ্রিল মাসে কুষ্টিয়া জজকোর্টে গিয়ে আকাশকে বিয়ে করে ওই স্কুলছাত্রী। এরপর স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করছিলেন জান্নাত। প্রায় চার মাস পর বৃহস্পতিবার কাউকে কিছু না জানিয়ে বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর আগে একটি খাতায় পরিবারের উদ্দেশে আবেগঘন কিছু কথা লিখে গেছেন জান্নাত। সেখানে বাবা-মায়ের প্রতি নিজের ভালোবাসা, অনুতাপ ও মানসিক কষ্টের কথা তুলে ধরেছে সে।
পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন